S. K. Sinha



Originally blogged  on 17/1/15, slightly revised keeping the main theme unchanged.

When islam iz in trouble the teaching iz 2 recite a famous ayat fm Qur’an, which i am doing now having heard about this appointment – innalillahi Wa inna elahi rajiun. We generally recite this when someone dies n in desperation we humbly seek Allahs help. however, inshAllah , i hope even aft double jeopardies – let suronjit revise the constitution of a muslim country n now assigning another one s k sinha as chief justice of a muslim country, i wont have 2 say the ayat again in case my bloved country starts dying. Meaning i strongly blieve there r ways out. although one of these hindus while working on our constitution, in my opinion, was very clever in pleasing his bhogobans. He had dropped Allah n chosen instead creator (khalak, one of the 99 asma ul husnas or qualitative names of Allah) 2 b written in the constitution. Suranjit has achieved his purpose by brnging down Allah equal 2 the lines of gods n bhogobans (astagfirillah, may Allah forgive us) thus undermining the unique Allah name which He loves the most n we the muslims too. The. Nation iz still in shock n awe but in gentle quieitness 2 manage its famous age old religious harmony. But will Allah forgive us for dropping His most favorite name? Will sinhas.awaiting stunt in the name of “naivity” kicked rite in2 the face of islam will again b protected as need for the time beedat (a wrong new religious practice). Will it not make all say we have had it.. enuf iz enuf! Guess who wud like 2 hear it more than obamas n cameroons the bhogobans n khalaks that can create arab sptings anytime, anywhere – wow! says those who dosent comprehend the power of Allah.  He has repeatedly warned the transgressors n zalem – bad/ unjust rulers, invaders of his severe punishments thruout the Qur’an.

If Qur’an n sunnah can b prevented fm the life of a muslim citizen in his daily overall matters including personal, family, businress/ occupation n fm the public offices including executive, judiciary n legislative that r siuppposed 2 provide him service, then that person along with the rest of the citizens of the country r as good as dead. Islam does not allow religion 2 b seperated fm even a single area of its followers life.bcoz thru Qur’an n sunnah it establishes a complete code of life which iz unparallel in purity, all sorts of harmony, justice n peace. whereas in the west where religion n state iz seperated by law. And simply for that reason it has 2 b a very wise , experienced, knowledgeable muslim n one who only obeys n fears Allah, who can b eligible 2b a chief justice or for that matter chief of all public offices.  It is also the law of the religion given the uniqueness of islam on the fact that while sharia demands muslims follow strictly the islamic code of conducts in every step of their life only a practising muslim can appreciate n make surroundings n arrangements for every muslim bing in the position of authority.  N talking about rites?  No other religion in the world provides guaranty of state protection 2 the lifes, religion n assets of non-muslims as islam does  Since they r non-muslims they dont even hav 2 participate in wars 2 defend the muslim lands borders.

If someone wants 2 live in a non-muslim countty n give them credit for bing better than muslims that shud b his problem. Islam dosent segregate or discriminate in skooling, jobs n govt benefits. no other religion or society provides security 2 its minority religion as much as islam does BY LAW. ‘Democracy’ was first introduced more than 1400 yrs ago when the world including west was barbaric, monarchs or anarchists Wot they call democracy in islam it iz the chosen best from among the people eg., khelafae rashedin  and this was 1 of the reasons besides many other reasons y they were named the rightly guided or khelafae rashedins.

Hence it iz even more important 2 hav a very learned n wise seasoned muslim judge bcoz we r @ a very critical juncture aft 68 yrs of the end of colonial rule but still inheriting junk common laws n legal system that have almost brought the nation in2 shambles where no rule or bad rules have bcome norm. needless 2 mention the islam phobia created by the west thriu many lies n fallsifications n fabrications and linking their henious acts 2 islam and naming them war against terror but they forget 2 say for profit.

world bing wot it iz filled with hypocrites n liars, we need 2 b cautious. Instead of sinha we need 2 entrust the chief justuce responsibility 2 a strong muslim scholar/ leader whose visionary actions will save the alllmost sunk ship by making a clear roadmap of implementing Allah’s laws asap n take bangladesh inshAllah in2 the future as an icon of justice, stability, harmony, tolerance n peace. Just wot Allah has demanded (by showing clear path) fm humans, the best of His creations (ashraful makhlukat).

Sent from Samsung Mobile.


Within 8 months c how things r unfolding in the justice system (pls remember this is just 1 of the many things i hav mashallah warned so far).  People r not getting proper justice, laws r bing misinterpreted, the 1s asking for protection is bing vindicated.  N who is the chief justice of this country?  A hindu minority named sk sinha who also seems 2 b a worthless (or a very shrewd?) leader of the justice system whose incompetence n spineless actions r, it seems 2 hav turned peoples last resort for recourse 2 injustice as a place for mockery with laws n confidence of the nation.  There seems 2 b no leadership n vision.  Thats y we c no coordination between chief justices office, ministry of law n the parliamentary committee on law n justice.  True leadership is proactive not  reactive.  Lets think n advise the govt about necessary new n effective laws,  urgently revise the ole laws that is creating gridlocks in the legal system n yes till 2date y didt the nation hear any action or opinion fm its chief justice on total independence of judiciary.  Now lets c wot his friends  at dw says:

DW (25/8/15)


সাংবাদিকদের জন্য দুঃসময়
মধ্য এশিয়ার পরিস্থিতি
ফ্রিডম হাউস নামে একটি প্রতিষ্ঠান ১৯৯৭টি দেশের ওপর একটি সমীক্ষা চালিয়েছে, যার ফলাফলে দেখা গেছে, তুর্কমেনিস্তান, উজবেকিস্তান এবং বেলারুশের সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সবচেয়ে কম৷ অন্যদিকে সাংবাদিকদের সবচেয়ে বেশি স্বাধীনতা রয়েছে নেদারল্যান্ডস, সুইডেন এবং নরওয়েতে৷
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘আইসিটি আইনের ৫৭ ধারায় সাতটি বড় ধরনের অস্পষ্টতা লক্ষ্য করা যায়৷ এগুলো হলো – মিথ্যা ও অশ্লীল, নীতিভ্রষ্টতা, মানহানি, আইন-শৃঙ্খলার অবনতি, রাষ্ট্র ও ব্যক্তির ভাবমূর্তি, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও সংগঠনের বিরুদ্ধে উসকানি৷”
ব্যারিস্টার বড়ুয়া মনে করেন, ‘‘ওয়েবসাইটে বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক বিন্যাসে এমন কিছু প্রকাশ বা সম্প্রচারের কথা বলা হচ্ছে যা হবে মিথ্যা বা অশ্লীল৷ কিন্তু সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নীতি বা নৈতিকতার কথা বলা থাকলেও কোন কোন বিষয়বস্তুকে অশ্লীল বা মিথ্যা হিসেবে আখ্যায়িত করা হবে, তা এই ধারায় সুস্পষ্ট করা হয়নি৷ এক্ষেত্রে এ আইনটি সুনির্দিষ্টতার অভাবের কারণে দুষ্ট৷”
এ কারণেই এই আইনের অপ্রয়োগের সুযোগ আছে মনে করেন তিনি৷ ব্যারিস্টার বড়ুয়া সাংবাদিক প্রবীর সিকদারের আটকের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘‘নিরাপত্তা না পেয়ে হয়ে যিনি ফেসবুকে অসহায়ত্ব প্রকাশ করলেন, তাঁকে নিরাপত্তা না দিয়ে উল্টো অভিযুক্ত ব্যক্তিদের দেয়া মামলায় আটক করা অস্বাভাবিক৷ এখানেও আইনের অপ্রয়োগ স্পষ্ট৷”
ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া মনে করেন, ‘‘সংবিধানের মূল চেতনার সঙ্গে আইসিটি আইনের ৫৭ ধারা সাংঘর্ষিক৷ এই ধারাটি সংবাদপত্র ও নাগরিকের স্বাধীনতাকে খর্ব করছে, যা সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদের পরিপন্থি৷ ৩৯ অনুচ্ছেদে দেশের সব নাগরিকের চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি কতিপয় শর্ত সাপেক্ষে নাগরিকের বাকস্বাধীনতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে৷”

‘আসুন আমরা সাগর-রুনিকে ভুলে যাই’
ছবিতে বর্বোরোচিত হত্যাকাণ্ড
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনির বর্বোরোচিত হত্যাকাণ্ডের তিন বছর পূর্তিতে এই প্রদর্শনীটির আয়োজন করেছে সাগর-রুনির পরিবার, বন্ধু-বান্ধব ও শুভানুধ্যায়ীরা৷ প্রদর্শনীটি চলবে ২৬শে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত৷
তিনি আরও বলেন, ‘‘৫৭ ধারা যদি প্রচলিত থাকে, তাহলে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা অপব্যবহার করে অপছন্দের যে কাউকে দমন-পীড়ন চালানো যাবে৷ এমনিতেই মানুষ আতঙ্কে রয়েছে৷ আর এই আতঙ্ক থাকলে আর যাই হোক চিন্তার স্বাধীনতা থাকে না৷”
অন্যদিকে মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) পরিচালক নূর খান ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘এরই মধ্যে এই আইনটির অপব্যাহারের শিকার হয়েছেন অনেকে৷ আসক-এর কাছে এরকম ১১ জনের তথ্য রয়েছে, যাঁরা এই আইনের অপব্যহারের শিকার হয়ে কারাগারে আটক আছেন৷”
তিনি বলেন, ‘‘এই আইনটি বাকস্বাধীনতা হরণের পাশাপাশি প্রতিপক্ষকে হয়রানির একটি মোক্ষম অস্ত্র৷ কারণ এই আইনে এমন সব অপরাধের কথা বলা হয়েছে, যেসব অপরাধের ব্যখ্যা নেই৷ তাই ইচ্ছে মতো এই আইনের অপব্যবহার সম্ভব৷” তাই অবিলম্বে আইসিটি আইনের ৫৭ ধারা বাতিলের দাবি জানান নূর খান৷
প্রসঙ্গত, আইনটি নিয়ে সরকারের মধ্যেও মতবিরোধ আছে৷ সরকারের একাংশ মনে করে, আইনটির অপপ্রয়োগ হচ্ছে এবং এটি বাতিল অথবা অপপ্রয়োগ যাতে না হয় তার জন্য আইনে সুনির্দিষ্ট সুরক্ষা ধারা অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন৷ ওদিকে আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক বিভিন্ন মহলের দাবির প্রেক্ষিতে আইনটি বাতিলের দাবি বিবেচনা করে দেখার কথা বলেন৷
নির্বাচিত প্রতিবেদন
‘বেশ চাপে রয়েছে বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম’
গ্রেপ্তার, হয়রানি, হামলার শিকার হচ্ছেন সাংবাদিকরা৷ সংবাদপত্র, টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর ওপর রয়েছে অঘোষিত চাপও৷ মানবাধিকার কর্মী মীনাক্ষী গাঙ্গুলির কথায়, ‘‘চাপাতি ও অপরাধের গন্ধ খোঁজার মধ্যে জিম্মি বাংলাদেশের বাকস্বাধীনতা৷” (20.08.2015)  
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা, বিচার বিভাগ এবং বঙ্গবন্ধু
সংবাদমাধ্যম এবং বিচার বিভাগের সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর প্রসঙ্গ মোটেই অপ্রাসঙ্গিক নয়৷ বিচার বিভাগ যেমন ন্যায়বিচারের মাধ্যমে গণতন্ত্র নিশ্চিত করে, তেমনই করে সংবাদমাধ্যম৷ আর শেখ মুজিবও এমনই এক শোষনমুক্ত বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন৷ (14.08.2015)  
যেসব কারণে ৫৭ ধারা বাতিলের দাবি উঠেছে
২০০৬ সালে প্রণীত তথ্য-প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা বাতিলের দাবি উঠেছে৷ সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারী থেকে শুরু করে সংবাদপত্রের সম্পাদক, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকসহ অনেকে এই দাবি জানাচ্ছেন৷ দাবিটি বিবেচনা করা হবে বলে জানান আইনমন্ত্রী৷ (25.08.2015)  
বাংলাদেশে ঝুঁকির মুখে মুক্ত সাংবাদিকতা
ক্রমেই ঝুঁকির মুখে পড়ছে মুক্ত সাংবাদিকতা৷ আরো একবার তার প্রমাণ পাওয়া গেছে মঙ্গলবার সিটি নির্বাচনের সময়৷ মোট ২১ জন সাংবাদিক ঐ দিন হয় পুলিশ অথবা শাসক দলের ক্যাডারদের হাতে হামলার শিকার হন৷ এখনও এর কোনো প্রতিকার হয়নি৷ (03.05.2015)  
সাংবাদিকদের জন্য দুঃসময়  
‘আসুন আমরা সাগর-রুনিকে ভুলে যাই’  
প্রতিহিংসা আর ধ্বংসের নির্মম রাজনীতি আর কতকাল  
তারিখ 25.08.2015
প্রতিবেদন হারুন উর রশীদ স্বপন, ঢাকা
কি-ওয়ার্ডস বিশ্ব, বাংলাদেশ, তথ্য-প্রযুক্তি আইন, ৫৭ ধারা, বাকস্বাধীনতা, পরিপন্থি, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা অপব্যবহার, আসক, নূর খান
শেয়ার পাঠান ফেসবুক টুইটার গুগল+ আরো…
ফিডব্যাক: আমাদের লিখুন
প্রিন্ট এই পাতা প্রিন্ট করুন
পার্মালিংক http://dw.com/p/1GLH


Posted from WordPress for Android

By Munir


Growing Flowers on Stone

Soften your mind

WordPress.com News

The latest news on WordPress.com and the WordPress community.

Discover WordPress

A daily selection of the best content published on WordPress, collected for you by humans who love to read.

%d bloggers like this: